বৃহস্পতিবার | ১৩ মে, ২০২১ | ৩০ বৈশাখ, ১৪২৮
সময় নিউজ ২৪ > সাতক্ষীরা > কালিগঞ্জ সদরে আজও সরকারি বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত প্রায় অর্ধশত পরিবার

কালিগঞ্জ সদরে আজও সরকারি বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত প্রায় অর্ধশত পরিবার

কালিগঞ্জ সদরে আজও সরকারি বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত প্রায় অর্ধশত পরিবার

শেখ ইকবাল আলম বাবলু, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত চরযমুনা গ্রাম। গ্রামটিতে একটি মসজিদসহ বহু লোকের বসবাস। কিন্তু দু:খের বিষয় গ্রামটিতে ৩ বছর পূর্বে বিদ্যুৎ’র খুঁটি স্থাপন হলেও অজ্ঞাত কারণে আজও বিদুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। যার কারণে এই গ্রামে সরকারি বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত গ্রায় অর্ধশত পরিবার। গ্রামটি উপজেলা সদর থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হলেও কি কারণে এই গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ বঞ্চিত তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার আবেদন করেও সুরাহা মেলেনি। বরং একটি প্রভাবশালী মহল গ্রামবাসীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

সরেজমিন সোমবার (২২ মার্চ) বিকেলে চরযমুনা গ্রামে গেলে স্থানীয় মরহুম আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্দুল ওয়াহেদ গাজী (৭০), মরহুম আমির আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫), মরহুম শোকর আলীর ছেলে শামসুর গাজী (৫৫) সহ একাধিক ব্যক্তি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার জন্য। অথচ উপজেলা পরিষদ থেকে আধা কিলোমিটারেরও কম পথ আমাদের গ্রামটি। গত ৩ বছর পূর্বে গ্রামটিতে মাত্র ৭ টি বিদ্যুৎ’র খুঁটি স্থাপন করলেও আজও সংযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা একাধিকবার কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করেও ফল পাইনি। যার কারনে গ্রামের অর্ধশত পরিবারের ভাগ্যে এখনও জুটেনি বিদ্যুৎতের আলো।

চরযমুনা গ্রামের সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ গুলো আক্ষেপ করে আরও জানান, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি ষড়যন্ত্র করে এই গ্রামে বিদ্যুৎ প্রদানে বাঁধা প্রদান করছে। তারা বিভিন্ন কৌশলে আমাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে আরও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের গ্রামের ছেলে মেয়েরা পড়া লেখা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই পিছিয়ে পড়ছে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এব্যাপারে কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার পংকজ শিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যখন লাইনের কাজ শুরু হয়েছিলো তখন একটি মহল থেকে বাঁধা প্রদান করা হয়। সেই সময়ে ঠিকাদার কাজ না করে চলে যায়। আমি যোগদান করার পর পূনরায় ডিজাইন করে শতভাগে নাম ঢুকিয়ে দিয়েছি। অনতিবিলম্বে কাজ শুরু হবে।

 

 

 

কমেন্টস

Leave a comment

x