শুক্রবার | ২৫ জুন, ২০২১ | ১১ আষাঢ়, ১৪২৮
সময় নিউজ ২৪ > কুড়িগ্রাম > ভূরুঙ্গামারীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা: কেউ মানছেন না শারীরিক দূরত্ব!

ভূরুঙ্গামারীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা: কেউ মানছেন না শারীরিক দূরত্ব!

ভূরুঙ্গামারীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা: কেউ মানছেন না শারীরিক দূরত্ব!

আরিফুল ইসলাম জয়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জমে উঠেছে ঈদের বাজার, কিন্তু কেউই মানছেন না শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি।আগত ক্রেতাদের অধিকাংশের মুখে নেই কোন মাস্ক। এমনকি অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেরও বিক্রেতা বা সেলসম্যানের মুখে মাস্ক পড়তে দেখা যায়নি। করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে লকডাউন। করোনা ভীতি উপেক্ষা করে ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষ। প্রতিটি মার্কেট ও বিপণি বিতানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ে পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে ছুটছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।এমনকি তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো লক্ষনই দেখা যাচ্ছে না। প্রথম দিকে মার্কেটগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা কম থাকলেও গত ৩/৪দিনে ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীর লক্ষ করা গেছে। ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তে কেনাকাটা করতে ক্রেতারা বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণি বিতানে ছুটে চলছেন । ক্রেতাদের আগমনে খুশি বিক্রেতারাও।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে সরকারের লকডাউন ঘোষনায় প্রায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তারা কিছুটা আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন।কিন্তু লকডাউন শিথিল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় হঠাৎ ক্রেতার সংখ্যা বেড়ে বেচাকেনাও বেড়ে গেছে। করোনা মহামারিতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরও জনসাধারণের মধ্যে যেন কোনো ধরনের করোনা ভীতিই নেই। এই সংকটকালেও নিশ্চিন্তে ক্রেতারা ঈদের কেনাকাটা করছেন।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলকে বেচাকেনা করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না অনেক বিক্রেতারা। বেশিরভাগ দোকানগুলি রাত ১২-১ টা পর্যন্ত খোলা রাখছে। বেশীর ভাগ মার্কেট ও বিপনি বিতানে মহিলা ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশী থাকলেও অনেকে আবার পরিবার-পরিজন এমনকি শিশুদের সঙ্গে নিয়েও কেনাকেটা করতে এসেছেন। মার্কেটে আগত কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে, তারা বলেন, ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে এসেছি। বিভিন্ন দোকান যাচাই ও দামাদামি করে তাদের পছন্দের পন্যটি কিনছেন ক্রেতারা।

এক গৃহবধূর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, দুই শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে মার্কেটে এসেছি।বাচ্ছাদের ও নিজের জন্য নতুন পোশাক কেনার জন্য। করোনার কারনে ঘরবন্দি ছিলাম, ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটা করতে বের হয়েছি।

Share this:

কমেন্টস

Leave a comment

x