শনিবার | ৮ মে, ২০২১ | ২৫ বৈশাখ, ১৪২৮
সময় নিউজ ২৪ > গাইবান্ধা > মর্টারশেল থেকে গোবিন্দগঞ্জে বিস্ফোরণ : পুলিশ সুপার 

মর্টারশেল থেকে গোবিন্দগঞ্জে বিস্ফোরণ : পুলিশ সুপার 

মর্টারশেল থেকে গোবিন্দগঞ্জে বিস্ফোরণ : পুলিশ সুপার 
মাসুম বিল্লাহ, গাইবান্ধা: ১৯৭১ সালের পরিত্যক্ত মর্টারশেল থেকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিস্ফোরণ, কোন জঙ্গী তৎপরতা নয় বলে দাবি করেছেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলবে তিনি জানান, বিস্ফোরণের ঘটনাটি কোন জঙ্গী তৎপরতা নয়। ৭১ সালের পরিত্যক্ত মর্টারশেল থেকে ঘটনাটি ঘটে।
এর আগে ঢাকা থেকে আসা টেররিজম ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রিয় ৮ সদস্যের দলটি বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ওই বাড়িটিতে প্রবেশ করে । এসময় এডিসি রহমত উল্লার নেতৃত্বে দলের সদস্যরা বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে নিখুঁত তদন্ত কার্যক্রম চালান। বাড়ির ভিতরে প্রবেশের প্রায় দেড় ঘন্টা পর সাড়ে দশটার দিকে তারা একটি পরিত্যক্ত মর্টারশেলের অংশবিশেষ দেখতে পান। পরে আশপাশের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দিয়ে পরিত্যক্ত মর্টারশেলটির বিস্ফোরণ ঘটায়। সেখানে সন্ত্রাসী তৎপরতার কোনো আলামত পাননি তারা।
গতকাল বুধবার (২৪ মার্চ) অনুমান বিকেল চারটার দিকে মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামে কাসেম মিয়ার ছেলে বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে এই শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে বোরহান উদ্দিনের একটি ঘরের টিনের চালা উড়ে যায়। এতে বাড়ির মালিক কুয়েত ফেরত বোরহান উদ্দিন (৩৬) একই গ্রামের অহেদুল মিয়া (৩৮) ও উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিড়াডাঙ্গা গ্রামের তৈয়ক আলীর ছেলে রানা মিয়া (৩২) সহ তিনজন নিহত হন। বিস্ফোরণে বোরহানের ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ক্ষতচিহ্ন রয়েছে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে। রানা মিয়ার বাম হাতের কব্জি উড়ে গেছে। বুকেও ছিদ্র হয়েছে। অহেদুল মিয়ার হাতেও রয়েছে ক্ষত চিহ্ন।
এ ঘটনায় বাড়ির মালিক বোরহানের মা, স্ত্রীসহ পরিবারের পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরণের পর শরীরে ক্ষত নিয়ে পালানোর সময় মশিউর রহমান নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। তার বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায়।

কমেন্টস

Leave a comment

x