মঙ্গলবার | ১১ মে, ২০২১ | ২৮ বৈশাখ, ১৪২৮
সময় নিউজ ২৪ > দেশ ও জনপদ > সরকারি সহযোগিতা চান বগুড়ার ধুনটের ভাস্কর কামরুল ইসলাম

সরকারি সহযোগিতা চান বগুড়ার ধুনটের ভাস্কর কামরুল ইসলাম

সরকারি সহযোগিতা চান বগুড়ার ধুনটের ভাস্কর কামরুল ইসলাম

মাসুদ রানা, বগুড়া প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুর তর্জনী একটা স্বাধীনতার চিহ্ন। তার তর্জনীর দিকে তাকালে দেশপ্রেম জেগে ওঠে। নতুন প্রজন্মকে তাঁর তর্জনী সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। তবেই ইতিহাস টিকে থাকবে। সেটাকে আঘাত করে স্বাধীনতাকে আঘাত করা হয়েছে।কথাগুলো বলছিলেন বগুড়ার ধুনটের ভাস্কর্য তৈরির কারিগর ভাস্কর মোঃ কামরুল হাসান। ৩০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভাস্কর্য ও ম্যুরাল তৈরি করেছেন তিনি যখন যেখানে ভাস্কর্য তৈরি করেন , সেখানে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে তা দেখেছেন। কিন্তু ভাঙবে, এমন কখনো ভাবতেও পারেননি। তবে এভাবে ভাস্কর্য ভেঙে দমিয়ে রাখা যাবে না। ভাস্কর্যশিল্প থেমে থাকবে না। এই শিল্প থেমে গেলে ইতিহাস থমকে যাবে। মোঃকামরুল ইসলাম বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার মাটিকোড়া গ্রামের মৃত রহিম আকন্দের ছেলে,তিনি ছোটকাল থেকেই ভাস্কর্য বানানোর কারিগর হবেন বলে মনে মনে আশাকরে ছিলেন,১৯৮৭ সালে ব্রাদার উইলিয়াম খ্রিষ্টান সেন,বাংলাদেশে আসার পর ১ম, ডি আই ডি পি, ধুনট সমন্নিত উন্নয়ন সমবায় সমিতি চালু করেন।মোঃ কামরুর ইসলাম প্রথমে মাটির তৈরি একটি কুকুরের ভাস্কর্য ব্রাদার উইলিয়াম খ্রিষ্টান সেন কে উপহার দেন,সে খুশি হয়ে আরও ১টি ছবি চায়, গ্রামের দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীরা যে ভাবে মাটিতে বসে ভাতখায় তার একটি ছবি দিতে বলে, কামরুল ইসলাম সেই ছবিই তৈরি করে দেওয়ার পর সে খুশি হয়ে তাকে কিছু টাকা দেয় , এবং তার সাথে রাখতে ভাস্কর কামরুল কে আশ্বাস দেন , সেই থেকেই তার সহিত বিভিন্ন ভাস্কর্য তৈরি করার কাজ করেছেন তিনি। ভাস্কর মোঃকামরুল ইসলাম বলেন,আমার প্রথম ভাস্কর্যর নাম , (অধিকার) ২০০১সালে ধুনট উপজেলার মাটিকোড়া স্কুলের এর পাশে, অধিকার নামে একটি ভাস্কর্য তৈরি করি, মৌলবাদীরা ভাস্কর্য টি ভেঙ্গে ফেলে দেয়েছে। বগুড়া শেরপুর ২০০৩ সালে মির্জাপুর ইউনিয়নের দড়ি মুকুন্দ গ্রামে (ঘানি) নামের আরো একটি ভাস্কর্য তৈরি করেছি, ২০০৭ সালে নেত্রকোনা বিডিআর ক্যাম্পে টাইলস পেইন্টিং (বীর শ্রেষ্ঠ) ছবি আর্ট করেছি। ২০১৭ সাল ৭ মার্চ গ্রামীন মরলে বঙ্গবন্ধুর ভাষন -এর মুরাল ডাইম ডিজিটাল কমপ্লেক্সে তৈরী এবং ২০১১সালে ভাষা সৈনিক এর মুরাল তৈরি সহ বিভিন্ন পেইন্টিং করা ছবি তৈরি করেছেন তিনি। অন্যদিকে ধুনট থানার ওসির নির্দেশ মোতাবেক থানার ভিতরে বীরমুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিকদের ছবি পেইন্টিং করে দিয়েছেন , এবং ডাঃ শামিমার বাসার ভিতর ভাষা সৈনিকদের ছবি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ছবি পেইন্টিং করে দিয়েছেন, তিনি বলেন আমারা চার ভাইবোনের মাঝে আমি সবার ছোট ,আমি ধুনট ডিগ্রী কলেজ থেকে বি এস,এস পাশ করেছি , ও বগুড়া আর্ট কলেজ থেকে বি এফ এ,পাশ করি। তিনি আরো বলেন,দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি শিশুপার্ক রয়েছে সরকার যদি আমাকে সহযোগিতা করেন তাহলে আমি সেই শিশুপার্ক গুলোতে বীরশ্রেষ্ঠ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ছবি পেইন্টিং করে দিতাম ও বিভিন্ন মুরাল তৈরী করে দিতাম।

কমেন্টস

Leave a comment

x